• রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বড়াইগ্রামে ৩৬ জুলাই উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও চলচিত্র/প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন বড়াইগ্রাম কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি পিকেএম আব্দুল বারী, সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন লাইফ বড়াইগ্রাম কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত, ৫ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন বড়াইগ্রামে ‘বনলতা প্রেসক্লাব’-এর ১৮ সদস্যের কমিটি গঠন কাদামাখা পথ পেরিয়ে জাতীয় ফুটবলে সেরার স্বীকৃতি, লালপুরের ফারিহা ‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’ বন্ধুত্বের টানে চীনা নাগরিক বড়াইগ্রামে নাটোরে জাতীয় দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার সম্পাদকের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Stap voor Stap De Vox Casino Reload Bonus Activeren van in Nederland বিশ্বকাপের আমেজে বড়াইগ্রামে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বড়াইগ্রামে উচ্চ আদালত অমান্য করে জোরপূর্বক বাড়ি নির্মাণের চেষ্টা,বাধা দেয়ায় বৃদ্ধ বাবা-মা ও ছেলেকে পিটিয়ে জখম

‘রাতে পরিচালক ঘরে এসে জড়িয়ে ধরতে চেয়েছিলেন’

Reporter Name / ১৭৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৮

ভারতের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাস্টিং কাউচ ও যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছেন বহু অভিনেত্রী। প্রকাশ্যে মুখও খুলেছেন তাঁরা। সম্প্রতি হলিউড প্রযোজক হার্ভে উইনস্টেনকে নিয়ে একটা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর যৌন লালসার শিকার হয়েছেন বহু অভিনেত্রী। মিডিয়ার সামনে মুখও খুলেছেন তাঁরা। আর এবার যৌন হেনস্থা নিয়ে মুখ খুললেন স্বরা ভাস্কর। শুটিং চলাকালীন খোদ পরিচালকের যৌন লালসার শিকার হন তিনি।

বলেন, তখন ইন্ডাস্ট্রিতে একেবারেই নতুন। এর আদব কায়দা খুব একটা বুঝতাম না। একটা ছবির শুটিং শুরু হয়ে গিয়েছিল। একটি প্রত্যন্ত এলাকায় চলছিল শুটিং। শুটিং চলাকালীন পরিচালক আমাকে বিভিন্ন আপত্তিকর মেসেজ করতেন। সব সময় চোখে চোখে রাখতেন। আর রাতে ছবির দৃশ্য নিয়ে কিছু আলোচনার জন্য তাঁর রুমে ডেকে পাঠাতেন। এরপর ভালোবাসা ও সেক্স নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন তিনি। তারপর একদিন রাতে মদ্যপ অবস্থায় আমার ঘরে আসেন। আমাকে জড়িয়ে ধরতে চান।

আরও বলেন, রীতিমতো ভয়ে ভয়ে আমার দিন কাটত। পুরো একা হয়ে গিয়েছিলাম আমি। এরপর থেকে আমি শুটিং শেষ হয়ে গেলেই ঘরের আলো বন্ধ করে দিতাম। অন্ধাকারের মধ্যেই মেকআপ তুলতাম। আমি যে জেগে রয়েছি সেটা যাতে বাইরের কেউ বুঝতে না পারে তার জন্যই অন্ধকারে সব কাজ করতাম।”

এর পরবর্তী অভিজ্ঞতা সম্পর্কে স্বরা বলেন, যারা আমাকে কাস্ট করেছিল তাদেরই যৌন হেনস্থার শিকার হই। এমনকী, তাদের প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ায় বেশ কয়েকটি ছবি থেকে আমাকে বাদ দেওয়া হয়। এই বিষয়টা আমাকে দুর্বল করে দেয়। অনেকেই আমার মেসেজের রিপ্লাই দেওয়া বন্ধ করে দেয়। একা হয়ে যাই আমি। কারণ, তিনি কোনওভাবেই সমঝোতা করবেন না বলে জানতেন ইন্ডাস্ট্রির সেই সব লোকজন। আসলে আমি ছবি হারাতে রাজি। কিন্তু, কাস্টি কাউচের শিকার হতে রাজি নই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা