ডেস্ক নিউজ:
আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য হামলায় নিহত নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বনপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি সানাউল্লাহ নুর বাবু’র ১৫ তম শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৮অক্টোবর) বিকালে বনপাড়া বাজারে বাবু সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্মরণসভায় জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও সানাউল্লাহ নুর বাবুর সহধর্মিণী মহুয়া নুর কচির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য ও জেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল তার বক্তব্যে বলেন, একজন আইনজীবী নয়; সানাউল্লাহ নূর বাবু’র কন্যা হিসেবে কথা দিলাম, “পিতার হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করবো”।
এসময় উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আতিকুর রহমান বেলাল মৃধার সঞ্চালনায় সভায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের মিয়া, শেখ হাসিনা হত্যা চেষ্টা মামলায় মৃত্যুদন্ড থেকে খালাসপ্রাপ্ত ঈশ্বরদীর বিএনপি নেতা শরীফুল ইসলাম তুহিন, বাগাতিপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র মোশাররফ হোসেন, লালপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ পাপ্পু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম জহির, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালাম মোল্লা, বনপাড়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান মেমন বক্তব্য রাখেন।
পরে সানাউল্লাহ নুর বাবুর বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৮ অক্টোবর বনপাড়া বাজারে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের হামলায় সানাউল্লাহ নূর বাবু খুন হন। পরদিন তার স্ত্রী মহুয়া নূর কচি বাদী হয়ে বড়াইগ্রাম থানায় ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে আদালতে সম্পূরক আবেদনের মাধ্যমে ১৮ জনকে অর্ন্তভুক্ত করে মোট ৪৫ জনকে আসামি করা হয়। কিন্তু কোন অদৃশ্য কারনে মামলার ১১ বছর পর ২০২১ সালে চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডি।