• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বড়াইগ্রামে বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন বড়াইগ্রামের সাংবাদিক কন্যা জেবা আফিয়া আঁখির কৃতিত্বপূর্ণ অর্জন বড়াইগ্রামের বনপাড়ার কৃতি সন্তান- মাহমুদুল হাসান মেমন লালপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু লালপুরে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন বড়াইগ্রামে খাস জমি দখলের চেষ্টা, মুচলেকায় মুক্তি লালপুরের ঐতিহাসিক ময়না যুদ্ধ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত লালপুরে যুব সমাজের ঈদ পুনর্মিলনী, ক্রীড়া অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ বড়াইগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রকৌশলীর মৃত্যু, কাল ছিল তার বিয়ে! বড়াইগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগ নেতার প্রচারণা নিয়ে উত্তেজনা

সংঘাত নয়, গড়ি ঐক্যের রাজনীতি-সুলতানুল কাজল

দেলোয়ার হোসেন লাইফ, নির্বাহী সম্পাদক / ২০৯ Time View
Update : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদ নির্বাচনের ফলাফল আমাদের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জনগণের রায় প্রতিফলিত হয়েছে এবং বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। এই জয় যেমন আনন্দের, ঠিক তেমনি এটি একটি বিশাল জাতীয় দায়িত্বও বটে।একটি সচল ও সার্থক গণতন্ত্রের প্রাণভোমরা হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহনশীলতা। বিগত দিনের তিক্ততা পেছনে ফেলে আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তন মানেই দমন-পীড়ন—এই সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। বিজয়ী দল হিসেবে বিএনপির ওপর দায়িত্ব বর্তায় যেন কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মী বা সাধারণ মানুষ কোনো প্রকার উস্কানি বা প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত না হয়।

শক্তিশালী গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল অপরিহার্য। রাজনৈতিক মতভিন্নতা থাকবেই, কিন্তু সেটি যেন শত্রুতা বা দমন-নিপীড়নে রূপ না নেয়। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করাই হবে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক বিজয়।

নির্বাচন শেষ হওয়ার সাথে সাথেই আমরা আর কোনো নির্দিষ্ট দলের নই, বরং আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। অর্থনীতি সংস্কার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানবাধিকার রক্ষার চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় দল-মত নির্বিশেষে সবার মেধা ও শ্রম প্রয়োজন।

কোনো দল বা গোষ্ঠী নয়, বরং দেশ চলবে আইনের শাসন অনুযায়ী। অপরাধের বিচার হবে আইনি প্রক্রিয়ায়, রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়।
“আসুন আমরা প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার শপথ নেই। যেখানে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা এবং বাকস্বাধীনতা হবে প্রশ্নাতীত।”

এখন সময় বিভাজনের নয়, বরং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পুনর্গঠন করার। আমরা যদি আজ সহনশীলতা প্রদর্শন করতে পারি, তবেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ রেখে যেতে পারব।

সুলতানুল আরিফিন কাজল,
যুগ্ন আহবায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, বড়াইগ্রাম উপজেলা শাখা নাটোর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা