• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
ডিসেম্বরে ২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা: বড়াইগ্রামে সহকারী পরিচালক কবির উদ্দিন নাটোরে এক ডিলারের দুই হাজার লিটার পেট্রোল উধাও বড়াইগ্রামে বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন বড়াইগ্রামের সাংবাদিক কন্যা জেবা আফিয়া আঁখির কৃতিত্বপূর্ণ অর্জন বড়াইগ্রামের বনপাড়ার কৃতি সন্তান- মাহমুদুল হাসান মেমন লালপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু লালপুরে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন বড়াইগ্রামে খাস জমি দখলের চেষ্টা, মুচলেকায় মুক্তি লালপুরের ঐতিহাসিক ময়না যুদ্ধ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত লালপুরে যুব সমাজের ঈদ পুনর্মিলনী, ক্রীড়া অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ

ডিসেম্বরে ২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা: বড়াইগ্রামে সহকারী পরিচালক কবির উদ্দিন

Reporter Name / ৪০ Time View
Update : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি:
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় বনপাড়া মডেল হাইস্কুলের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. কবির উদ্দিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাঃ আব্দুল হান্নান, বড়াইগ্রাম উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ হেলাল উদ্দিন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার ও পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম।


শনিবার (১৮ এপ্রিল) পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি কেন্দ্রটির ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা ও নিস্তব্ধ শান্ত পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মামলা থাকার কারণে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা বিলম্বে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে আগামীতে ২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা যথাসময়ে ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ দিন পর বৃত্তি পরীক্ষা চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ায় আরও মনোযোগী হয়ে উঠবে। তাদের মধ্যে শিক্ষায় পারস্পরিক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে এবং সর্বোপরি শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন হবে।


পরীক্ষার্থী আরিনা আশরাফী তাহিয়ার পিতা, বাউয়েট কাদিরাবাদ সেনানিবাসের ডেপুটি রেজিস্টার মোঃ আশরাফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পাওয়ার প্রত্যাশায় যেমন লেখাপড়ায় মনোযোগী হবে, তেমনি শিক্ষক ও আন্তঃস্কুলগুলোর মধ্যেও নীরব প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে। এতে প্রাথমিক শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে।


উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান, ২০০৮ সাল পর্যন্ত বৃত্তি পরীক্ষা এবং ২০০৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সমাপনী পরীক্ষা চালু ছিল। সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মেধাক্রম অনুসারে বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হতো। করোনাকালীন সময়ে সরকারি সিদ্ধান্তে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। তবে পুনরায় চালু হয়েছে পরীক্ষাটি।


এ পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৩৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫০৫ জন ছেলে ও ৮২৮ জন মেয়ে। উপস্থিত ৯৩৫ জনের মধ্যে ছেলে ৩৫০ জন এবং মেয়ে ৫৮৫ জন। ২৩৫ জন মেয়ে পরীক্ষার্থী বেশি অংশগ্রহণ করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা